আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার একটি বাস্তব উদাহরণ-
-
ক
এক্সরে
-
খ
ক্যাথোড রশ্মি
-
গ
সোলার সেল
-
ঘ
লেজার রশ্মি
সোলার সেল
আলোক তড়িৎ ক্রিয়া হল এমন একটি ঘটনা যেখানে আলোর সংস্পর্শে আসা একটি পদার্থ থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই ইলেকট্রনগুলিকে আলোক-নির্গিত ইলেকট্রন (photoelectrons) বলা হয়।
সোলার সেল হল এমন একটি ডিভাইস যা আলোক তড়িৎ ক্রিয়া ব্যবহার করে সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। সোলার সেলে একটি অর্ধপরিবাহী পদার্থের একটি পাতলা স্তর থাকে যা আলোর সংস্পর্শে আসে। আলোর সংস্পর্শে আসার ফলে এই পদার্থ থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই ইলেকট্রনগুলি একটি বহিরাগত সার্কিটের মাধ্যমে প্রবাহিত হয় এবং বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।
অন্যদিকে, এক্সরে, ক্যাথোড রশ্মি এবং লেজার রশ্মি হল আলোক তড়িৎ ক্রিয়া দ্বারা সৃষ্ট নয়। এক্সরে হল একটি ধরনের বিকিরণ যা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের প্রভাবে উৎপন্ন হয়। ক্যাথোড রশ্মি হল একটি ধরনের বিকিরণ যা ইলেকট্রনের প্রবাহের ফলে উৎপন্ন হয়। লেজার রশ্মি হল একটি ধরনের আলো যা একই ফ্রিকোয়েন্সি এবং তীব্রতার আলোর একক রশ্মি আকারে উৎপন্ন হয়।
সুতরাং, আলোক তড়িৎ ক্রিয়া একটি বাস্তব উদাহরণ হল সোলার সেল।
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করতেন যে, পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে যা জানা দরকার তার অধিকাংশই তারা জেনে ফেলেছেন। নিউটনের গতিসূত্র ও তাঁর বিশ্বজনীন মহাকর্ষ সূত্র, তড়িৎ বিজ্ঞান ও চৌম্বক বিজ্ঞানকে একত্রিত করে ম্যাক্সওয়েলের তাত্ত্বিক কাজ এবং তাপগতিবিদ্যার সূত্র এবং গতি তত্ত্ব অনেক বৈচিত্র্যময় প্রতিভাসের ব্যাখ্যায় সফলতা লাভ করেছে। বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দুটি তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের জগৎকে কাঁপিয়ে দেয়। এগুলো হলো ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক প্রদত্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন প্রদত্ত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব। দুটি ধারণাই প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে সুগভীর প্রভাব ফেলেছে। কয়েক দশকের সাধনায় এই তত্ত্বগুলো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান এবং ঘনীভূত পদার্থের পদার্থবিজ্ঞানের উন্নয়ন, বিকাশ ও তত্ত্বকে প্রেরণা জোগায়।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা তাই ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে। এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে আরেকটি বিপ্লব আনেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব ও আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা হলো কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান, আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান, পরিসাংখ্যিক (Statistical) বলবিজ্ঞান, কঠিনাবস্থার পদার্থবিজ্ঞান (Solid state physics) প্রভৃতি।
Related Question
View All-
ক
0.968c
-
খ
c
-
গ
4c
-
ঘ
0.900c
-
ক
0
-
খ
-
গ
-
ঘ
Ec
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
1.67 গুণ
-
খ
1.25 গুণ
-
গ
0.80 গুণ
-
ঘ
0.36 গুণ
-
ক
নিবৃত্তি বিভব
-
খ
প্লাংকের ধ্রুবক
-
গ
কার্যাপেক্ষক
-
ঘ
তরঙ্গদৈর্ঘ্য
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন
